admin
- ৪ জুন, ২০২৬ / ৪ Time View

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজের দুইদিন পর ঘরের মেঝের নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় মারুফা বেগম (৬০) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
Reading Time: 2 minutes
নাজমুল হোসাইন. কিশোরগঞ্জ, নীলফামারী :
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজের দুইদিন পর ঘরের মেঝের নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় মারুফা বেগম (৬০) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
বুধবার (৩ জুন) রাত ১২টার দিকে উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের উত্তর বড়ভিটা ময়দানপাড়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মারুফা বেগম ওই এলাকার মৃত আশরাফ আলীর স্ত্রী এবং তিন সন্তানের জননী।
পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, মারুফা বেগমের ছোট ছেলে লাভিন মিয়া ঢাকায় চাকরি করেন। তিনি বড় ছেলে জুয়েল মিয়ার সঙ্গে বাড়িতে বসবাস করতেন। গত সোমবার থেকে হঠাৎ করেই মারুফা বেগম নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
এরপর ঢাকায় থাকা ছেলে লাভিন মিয়া বাড়িতে ফিরে মায়ের খোঁজ শুরু করেন। বুধবার তার স্ত্রী ঘরের বিছানা গোছানোর সময় তোশকের নিচে রক্তের দাগ এবং ঘরের মেঝেতে অস্বাভাবিক ফাটল দেখতে পান। বিষয়টি তিনি লাভিন মিয়াকে জানালে তিনি থানায় খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধানে রক্তের দাগ ও সন্দেহজনক ফাটল দেখতে পায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় ঘরের মেঝে খনন করে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় মারুফা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের ছোট ছেলে লাভিন মিয়া অভিযোগ করে বলেন, “মায়ের সঙ্গে বড় ভাইয়ের স্ত্রীর ঝগড়া হয়েছিল। এরপর ভাবি রাগ করে বাবার বাড়িতে চলে যান। ওই দিন থেকেই মা নিখোঁজ ছিলেন। আমার ধারণা, বড় ভাই জুয়েল মিয়া মাকে হত্যা করে ঘরের মেঝের নিচে পুঁতে রেখেছে।”
কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, “নিহতের ছোট ছেলে থানায় এসে বিষয়টি জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ঘরের ভেতরে রক্তের দাগ ও মেঝেতে ফাটল দেখতে পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় খননকাজ চালানো হয়। পরে সেখান থেকে মারুফা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।”
তিনি আরও বলেন, “মারুফা বেগম দুইদিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।”
পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
Post Views: 5